কিভাবে প্রফেশনাল সিভি লিখবেন? CV Writing For Jobs BD

কিভাবে প্রফেশনাল সিভি লিখবেন? CV Writing For Jobs BD

কিভাবে প্রফেশনাল সিভি লিখবেন? CV Writing For Jobs BD কীভাবে একটি ভাল সিভি লিখবেন এবং আপনার নিজের ব্যক্তিগত সিভি তে কী অন্তর্ভুক্ত করবেন সে সম্পর্কে টিপস এবং পরামর্শ –

প্রফেশনাল সিভি লেখার নিয়ম

সিভির মূল উদ্দেশ্য হল নিয়োগকর্তার কাছে আপনার তথ্যের এক ঝলক উপস্থাপন করা। আজকের আধুনিক সিভিতে শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা, দক্ষতা বা অভিজ্ঞতার চেয়েও বেশি কিছু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আজকের নিবন্ধে আমরা একটি পেশাদার আইটি সিভি লেখার নিয়ম জানব, যাতে একটি মানসম্পন্ন সিভির সমস্ত বৈশিষ্ট্য থাকবে।

শুধু তাই নয়, আমরা নিবন্ধের শেষে কিছু নমুনা সিভি যোগ করব। যা দেখে আপনি নিজের জন্য একটি প্রফেশনাল মানের সিভি তৈরি করতে পারবেন। এছাড়াও, আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে CVT তৈরি এবং প্রিন্ট করতে পারেন।

কিভাবে প্রফেশনাল সিভি লিখবেন? CV Writing For Jobs BD

1. যোগাযোগের তথ্য সহ শিরোনাম: বর্তমানে, আধুনিক সিভিতে শিরোনামের সাথে একটি সংক্ষিপ্ত যোগাযোগের তথ্য সংযুক্ত রয়েছে। এর ফলে সিভি দেখার শুরুতেই আপনার যোগাযোগের তথ্য পাওয়া যায়। তাই শিরোনামে আপনার নাম, ইমেইল এবং ফোন নম্বর যোগ করুন।

2. ছবি: যেহেতু আপনি চাকরির জন্য আবেদন করছেন, তাই আপনার সিভিতে যে ছবি ব্যবহার করবেন তা পেশাদার হওয়া উচিত। পোশাকটি ফর্মাল এবং ইমেজ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখুন। অতিরিক্ত সম্পাদনা করে আপনার চেহারা পরিবর্তন করবেন না।

এছাড়াও ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড কালার হবে খুবই প্লেইন। আপনি যদি চান, আপনি ব্যাকগ্রাউন্ডে বিশুদ্ধ সাদা বা হালকা নীল রঙ ব্যবহার করতে পারেন। তবে আপনি ব্যাকগ্রাউন্ডের জন্য যে রঙই ব্যবহার করুন না কেন, তা যেন আপনার পোশাকের সাথে মিলে যায়।

আপনি সম্প্রতি তোলা একটি ছবি ব্যবহার করুন. খুব পুরানো ছবি ব্যবহার করা উচিত নয়। ছবি এবং সিভি ভিন্ন হলে আপনি পেপার ক্লিপ ব্যবহার করে তা সামঞ্জস্য করতে পারেন। একেবারে প্রয়োজনীয় না হলে স্ট্যাপলার পিন ব্যবহার করবেন না।

3. ব্যক্তিগত প্রোফাইল (Profile): আপনার ক্যারিয়ারের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে সংক্ষেপে 5 থেকে 6 লাইন লিখুন। চাইলে আপনার সিভির একটি সারাংশও এখানে দেওয়া যেতে পারে।

4. অভিজ্ঞতার বর্ণনা (Experience): অনেকেই সিভির শেষে পূর্বের কাজের অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করেন। কিন্তু আধুনিক সিভি প্রথম দিকে কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে। আপনি যদি অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হন তবে আপনি সহজেই নিয়োগকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন।

তাই ধারাবাহিকভাবে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করুন। প্রথমে পদের নাম, প্রতিষ্ঠানের নাম, দায়িত্ব পালনের তথ্য এবং আপনি কতদিন দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত ছিলেন তা উল্লেখ করুন।

চাকরির জন্য সিভি লেখার নিয়ম

5. শিক্ষাগত যোগ্যতা: সিভিতে এটির প্রধান আকর্ষণ হল শিক্ষাগত যোগ্যতা বিভাগ। এই বিভাগে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা সাবধানতার সাথে বর্ণনা করুন। শিক্ষা জীবনের শেষ পর্যায় থেকে প্রেক্ষাপট বর্ণনা কর। অর্থাৎ, আপনি যদি মাস্টার্স সম্পন্ন করে থাকেন, তাহলে যথাক্রমে মাস্টার্স, অনার্স, এইচএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষার বিস্তারিত উল্লেখ করুন।

সম্ভব হলে টেবিল বা চার্ট তৈরি করে শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করুন। আপনি টেবিল তৈরি করার সময় পরীক্ষার নাম, বোর্ড, পাশের বছর, বিভাগ এবং ফলাফলের এই ক্রম বজায় রাখতে পারেন। তবে আধুনিক সিভিতে এগুলোর পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামও উল্লেখ থাকে।

6. দক্ষতা: আজকের চাকরির জন্য শুধুমাত্র শিক্ষিত লোকই নয়, বিশেষ দক্ষতা সম্পন্ন প্রার্থীদেরও প্রয়োজন। তাই আপনি যদি কোনো বিষয়ে ভালো হন, বিশেষ করে আপনার কাছে কোনো প্রযুক্তিগত দক্ষতা থাকে, তাহলে এই বিভাগে তা সাবলীলভাবে বর্ণনা করুন।

এই বিভাগে সাধারণত মৌলিক এবং উন্নত কম্পিউটার দক্ষতা, ডাইভিং বা অন্য কোন দক্ষতা উল্লেখ করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনার সিভি গ্রহণযোগ্যতা হারাবে যদি আপনার প্রাথমিক কম্পিউটার দক্ষতা না থাকে। তাই আপনার সিভি কোথাও জমা দেওয়ার আগে আপনি যদি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেন তবে ভাল।

7. অতিরিক্ত তথ্য: অনেকেই সিভিতে অতিরিক্ত বিভাগ অন্তর্ভুক্ত করার ভুল করেন। কিন্তু আপনাকে বুঝতে হবে যে সিভির এই গুরুত্বপূর্ণ অংশটি আপনার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ করে। তাই আপনি এই বিভাগে আপনার অতিরিক্ত অর্জন উল্লেখ করতে পারেন। যেমন: পদক বা সম্মাননা, ভাষাগত দক্ষতা, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম ইত্যাদি।

অন্য কথায়, ঐতিহ্যগত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে আপনার গুণাবলী তুলে ধরুন। এটি তাদের আপনার ব্যক্তিত্বের ছাপ দেবে। যা আপনাকে প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

সিভি লেখার নিয়ম

8. রেফারেন্স: সিভিতে রেফারেন্স সেকশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার দেওয়া তথ্যগুলি দ্বিতীয় ব্যক্তি যাচাই করার উদ্দেশ্যে সিভিতে রেফারেন্স চাওয়া হয়। তাই আপনাকে ভালো করে চেনেন এমন কেউ তার নাম রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

তিনি আপনার কলেজের অধ্যক্ষ, কাউন্সিলর বা চেয়ারম্যান বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হতে পারেন। যাইহোক, আপনি আপনার সিভিতে রেফারেন্স হিসাবে যে ব্যক্তির নাম ব্যবহার করছেন তার আগে আপনাকে অবশ্যই তাদের অনুমতি নিতে হবে।

About adminbd

John Romeo is a content writer.

View all posts by adminbd →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *